বিশুদ্ধ গাওয়া ঘী । Clarified Butter
880.00৳ Original price was: 880.00৳ .800.00৳ Current price is: 800.00৳ .
খাঁটি ঘি চেনার ৭টি সহজ কৌশল
ফ্রিজে রাখুন: ঘি খাঁটি কিনা তা দেখার জন্য একটি কাঁচের পাত্রে কিছুটা ঘি নিয়ে সেটি ফ্রিজে রেখে দিন। খাঁটি ঘি পুরোটাই সমান ভাবে শক্ত হয়ে যাবে কিন্তু ঘি যদি ভেজাল হয় তাহলে ওপরে একটি আলাদা স্তর তৈরি হবে।
গরম করুন: কম আঁচে একটি প্যানে এক টেবিল চামচ ঘি গরম করুন। খাঁটি ঘি হলে তা দ্রুত গলে পরিষ্কার তরলে পরিণত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি ঘি গলে যেতে বেশি সময় নেয়, বা অবশিষ্টাংশ ফেলে যায়, তাহলে ঘি ভেজাল হতে পারে।
আয়োডিন : খাঁটি ঘি পরীক্ষা করার জন্য একটি পাত্রে অল্প পরিমাণ ঘি নিয়ে তাতে অল্প পরিমাণ আয়োডিন যোগ করুন। যদি ঘি খাঁটি হয় তাহলে রঙ পরিবর্তন হবে না আর যদি ভেজাল হয় তাহলে নীল বা বেগুনি হয়ে যাবে।
হাতে ঘষা: অল্প পরিমাণ ঘি নিয়ে হাতের তালুতে ঘষে ১০-১৫ মিনিট বাদে সেটির গন্ধ নিন। খাঁটি ঘি দ্রুত গলে যায় এবং অবশিষ্ট পড়ে থাকে না। ভেজাল ঘি পুরোপুরি গলে যায় না এবং একটি তৈলাক্ত অংশ পড়ে থাকে সবশেষে।
স্বাদ পরীক্ষা: অল্প পরিমাণ ঘি নিন এবং স্বাদ নিন। খাঁটি ঘির স্বাদ অনেকটা বাদামের মতো। এবং এটা খাওয়ার পর মুখে লেগে থাকবে না। অন্যদিকে ভেজাল ঘি খাওয়ার পর মুঝে ডালডার মতো লেগে থাকবে।
দ্রাব্যতা পরীক্ষা: খুব সহজে পানি দিয়ে ঘি খাঁটি কিনা বুঝতে পারবেন। এ জন্য এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ ঘি গুলে নিন। খাঁটি ঘি পানিতে ভেসে উঠবে। আর ভেজাল ঘি হলে সেটা দ্রুত পানির সঙ্গে মিশে যাবে কিংবা গ্লাসের নিচে ডুবে যাবে।
কাগজের সাহায্য পরীক্ষা: সাদা কাগজ বা কাপড়ে এক ফোঁটা ঘি লাগিয়ে কয়েক মিনিট রেখে দিন। খাঁটি ঘি একটি তৈলাক্ত দাগ করবে এবং সেটা ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যায়। যদি দাগটি না যায় তাহলে বুঝতে হবে সেটা ভেজাল ঘি।
বিশুদ্ধ ঘি চেনার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা করা যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, ঘি গরম করলে দ্রুত গলে যাবে এবং গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করবে (Protidiner Sangbad); হাতের তালুতে রাখলে শরীরের তাপে গলে যাবে (Jagonews24, Anandabazar Patrika); এবং ফ্রিজে রাখলে সম্পূর্ণ ঘি একই রঙে সমানভাবে জমে যাবে, কোনো আলাদা স্তর তৈরি হবে না (Anandabazar Patrika)। এছাড়াও, খাঁটি ঘি-এর একটি সুবাস থাকে, যা উত্তপ্ত করলে তীব্র হয় এবং এর স্বাদ হালকা মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত হয় (Superior Food Bazar, Protidiner Sangbad)।
- গরম পানির পরীক্ষা: একটি গ্লাসে গরম পানি নিন এবং তাতে এক চামচ ঘি মেশান। খাঁটি ঘি দ্রুত গলে যাবে এবং উপরে তেলের মতো একটি স্তর তৈরি করবে। (Superior Food Bazar)
- হাতের তালুর পরীক্ষা: হাতের তালুতে সামান্য ঘি নিয়ে দেখুন। এটি শরীরের তাপে দ্রুত গলে গেলে তা খাঁটি ঘি। (Jagonews24, Anandabazar Patrika)
- গরম করার পরীক্ষা: একটি প্যানে ঘি গরম করুন। খাঁটি ঘি কোনো অবশিষ্টাংশ না রেখে সমানভাবে গলে যাবে। যদি কোনো কণা বা পলি দেখা যায়, তবে তা ভেজাল হতে পারে। (DM Traders)
- ফ্রিজের পরীক্ষা: ঘি-এর একটি পাত্র ফ্রিজে রাখুন। খাঁটি ঘি সম্পূর্ণভাবে এবং একই রঙে জমে যাবে। যদি কোনো আলাদা স্তর তৈরি হয়, তবে ঘি-তে রাসায়নিক মেশানো থাকতে পারে। (Anandabazar Patrika)
- রঙ ও গন্ধ পরীক্ষা:
- খাঁটি ঘি-এর রঙ সোনালী-হলুদ হয়। হালকা সাদা বা অস্বাভাবিক হলুদ আভা থাকলে তা কৃত্রিম হতে পারে। (Krisa Farm)
- খাঁটি ঘি-এর একটি চমৎকার সুগন্ধ থাকে, যা উত্তপ্ত হলে আরও তীব্র হয়। ভেজাল ঘিয়ে এমন সুগন্ধ থাকে না। (Protidiner Sangbad)
- স্বাদেও হালকা মিষ্টি ভাব এবং বাদাম বা নারিকেলের মতো সুবাস থাকে। (Superior Food Bazar)
নকল ঘি চেনার ১২ টি উপায়
বাজারে গেলে হাতের নাগালেই এখন বিভিন্ন ব্যান্ড এর ঘি পাওয়া যায়। এমনকি দোকানিদের কাছে আপনি হোম মেইড ঘি ও পাবেন। তবে মনে প্রশ্ন থেকেই যায়, এই ঘি কতটুকু খাটি। ঘি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারনা না থাকার কারনে আমরা অনেকেই এসব অসাধু ব্যবসায়ীর নকল ঘি এর জালে জরিয়ে পরি এবং নিজ হাতে নিজের স্বাস্থ্য কে ক্ষতির মুখে ফেলি। তবে কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরন করেই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কেনা ঘি টি আসল নাকি নকল! চলুন জেনে নেওয়া যাক-
বিশেষ গন্ধ
ঘি এর একটি নির্দিষ্ট সুঘ্রান রয়েছে। বিশেষ করে খাটি গাওয়া ঘি এর গন্ধ এবং স্বাদের জন্যই এটি সকলের এতো পছন্দ। ঘি কেনার সময় ঘি এর উপরিভাগের কৌটা বা ঢাকনা খুলে এর গন্ধ যাচাই করে নিন। আসল ঘি থেকে সুন্দর মিষ্টি ঘ্রান পাবেন। তবে নকল বা ভেজাল মিশ্রিত ঘি এর মাঝে আপনি ডালডা এবং আর্টিফিশিয়াল গন্ধ পাবেন।
স্বাদ
ঘি এর স্বাদ নির্ভর করে এটির তৈরি পদ্ধতির উপর। ঘি সাধারনত নিরপেক্ষ্য স্বাদের হয়ে থাকে। এটি খুব বেশী মিষ্টি স্বাদের না আবার একেবারে নোনতা ও না। তবে বাজার থেকে কিনে আনা ঘি তে যদি আপনি অতিরিক্ত মিষ্টি স্বাদ অনুভব করেন তাহলে বুঝে নিবেন সেটি ভেজাল মিশ্রিত ঘি। সাধারনত ঘি তে চিনি বা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড মেশানো হলে সেটি খেতে তুলনামুলক বেশী মিষ্টি মনে হয়।
রং বা কালার
খাটি ঘি সাধারনত দুইটি কালারের হয়ে থাকে।
- হলুদ ঘি- এটি গরুর দুধের তৈরি ঘি।
- সাদা ঘি- মহিষের দুধের তৈরি ঘি।
খাঁটি গাওয়া ঘিয়ে রং সাধারণত সোনালি বা গোল্ডেন ইয়েলো হয়ে থাকে। তবে আর্টিফিসিয়াল ঘিয়ে কিন্তু এই বিষয় থাকে না। আসল ঘি দেখা মাত্রই লোভোনীয় এর ভাব আসে।
ঘনত্ব
আসল ঘি চেনার একটি প্রধান উপায় হলো ঘিয়ের ঘনত্ব। যার মাধ্যমে খুব সহজেই আসল ঘি সম্পর্কে জানা যায়। ঘি হল খুবই মসৃণ ও ক্রিমি জাতীয় খাবার। যা ঘরের তাপমাত্রায় খুব তারাতারি গলে যাবে আবার ফ্রিজে রাখলে চট করে জমে যাবে। চামচে নিলে গলে যাবে এবং এর মধ্যে কোন চিটচিটে ভাব থাকবে না। কিন্তু নকল ঘিয়ে চিটচিটে ভাব থাকবে হাতে নিলে আঠালো ভাব অনুভব হবে। এতেই বুঝা যাবে ঘি টা নকল।
পরিস্কার বা স্বচ্ছতা
ঘি দেখতে মূলত ক্লিয়ার বা স্বচ্ছ। খাটি ঘি তে কোনো রকমের ময়লা থাকে না। এটি একদম পরিষ্কার হয়ে থাকে। যদি ঘি এর মাঝে কোনো নোংড়া আবরন দেখতে পান বুঝবেন এটি অস্বাস্থ্যকত পরিবেশে তৈরি হওয়া নকল ঘি ।
বার্ণ টেস্ট
আসল ঘি চেনার আরো এক বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে যা হয়তো অনেকে অজানা এইটা হল বার্ণ টেস্ট বা আগুনের সাহায্যে পরীক্ষা করা। চুলায় গরম প্যানে বা কড়ায়ে ১ চামচ ঘি দিয়ে দিলে সাথে সাথে তেলের মতোই গলে যাবে অর্থাৎ আগুনের সংস্পর্শে আসলেই ঘি গলে যাবে আর এটি না হলে বুঝতে হবে যে ঘি আসল না।
ফ্রিজে রেখে পরিক্ষা
একটি কাচের জারে ঘি নিন। এরপর এটি গরম পানিতে রেখে ঘি গুলোকে পুরোপুরি গলিয়ে নিন। এবার কাচের জার টি ঘি সহ ফ্রিজে রেখে দিন। কিছুক্ষন পর দেখবেন ঘি জমে গিয়েছে। এক্ষেত্রে যদি ঘি এক লেয়ার জমে তাহলে এটি খাটি। তবে যদি ঘি দুই লেয়ারে জমে তাহলে বুঝে নিতে হবে এটি নকল ঘি। ঘি এর সাথে নারিকেল তেল মেশালে সাধারনত এরকম দুইটি লেয়ার হয়ে থাকে।
লবনের সাহায্যে টেষ্ট
কি ভাবছেন? লবনের মাধ্যমেও আবার ঘি যাচাই করা যায়? হ্যা আপনি খুব সহজে ঘরে থাকা লবন দিয়েই ঘি টেষ্ট করতে পারবেন। প্রথমে ঘি গুলোকে আগুনের তাপের সাহায্য গলিয়ে নিতে হবে। এরপর এতে সামান্য লবন দিতে হবে। ঘি তে লবন দেওয়ার কারনে যদি লবণ বা ঘি এর কালার পরিবর্তন হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে এই ঘি তে ভেজাল মিশ্রন রয়েছে।
পাম টেষ্ট
পাম টেষ্ট হলো ঘি পরীক্ষা করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। প্রথমে হাতের তালুতে ১ চা চামচ ঘি নিন। আপনার শরিরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা তেই যদি কিছুক্ষনের মধ্য ঘি গলতে শূরু করে তাহলে বুঝে নিবেন সেটি খাটি ঘি। তবে যদি ঘি না গলে এবং শক্ত জমাট বাধা অবস্থাতেই থাকে তাহলে সেই ঘি তে অবশ্যই নকল।
বোতল এবং চিনির সাহায্যে টেষ্ট
প্রথমে ঘি গলিয়ে একটি স্বচ্ছ বোতলে রাখতে হবে। এবার ঘি এর মাঝে কিছুটা চিনি বা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড দিয়ে ৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। বোতলের নিচের অংশে যদি লাল রঙের কোনো আস্তরণ দেখতে পান তাহলে বুঝে নিবেন এটি নকল ঘি।
ঘি সংরক্ষণের উপায় জানুন, আপনার ঘি ভালো রাখুন!
গরম পানির মাধ্যমে পরিক্ষা
ঘি জমাট বাধা অবস্থাতে একটি পাত্রে ঘি নিয়ে এটি গরম পানির মাঝে রাখবেন। কিছুক্ষনের মাঝেই ঘি গলে গিয়ে যদি তেলের আকার ধারন করে তাহলে এটি খাটি ঘি। আর যদি ঘি জমাট বাধা অবস্থাতেই থাকে তাহলে এটি নকল ঘি।
ঘি এর ঘ্রানের তীর্ব্রতা বা স্থায়িত্ব
হাতের তালুতে ১ চা চামচ ঘি নিয়ে এটি কিছুক্ষন আঙ্গুলের সাথে নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষন পরেই যদি ঘি এর ঘ্রান পাওয়া বন্ধ হয়ে যায় তাহলে বুঝে নিবেন এটি নকল ঘি। অথবা হাতে ঘি নিয়ে মেশানোর পরেও যদি সাধারন পানি দিয়ে হাত ধোয়ার পরে ঘি এর ঘ্রান চলে যায় তাহলে বুঝে নিবেন সেটি নকল ঘি। কারন খাটি ঘি এর ঘ্রান এতো দ্রুত বিলিন হয়ে যায় না।
নকল ঘি খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুকি
খাটি ঘি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি হলেও নকল ঘি আপনাকে মারাত্নক স্বাস্থ্যঝুকি তে ফেলতে পারে। বর্তমানে অনেক নামি দামি কম্পানি তাদের নিজস্ব ফ্যাক্টরি তে ঘি তৈরি করছে। তবুও ডালডা, রিফাইন্ড তেল, নারিকেল তেল মিশ্রিত ভেজাল ঘি এর মাত্রা বাজারে বেড়েই চলেছে।
- ভেজাল মিশ্রিত ঘি খেলে এসিডিটি সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
- হৃদরোগের আশংকা থাকে।
- খাটি ঘি আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, তবে ভেজাল ঘি খেলে আমাদের হজম শক্তির সক্ষমতা হ্রাস পায়।
- আমরা অনেকেই রুপচর্চার কাজে ঘি ব্যবহার করে থাকি। তবে নকল ঘি আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকর।
- ভেজাল ঘি শরিরে অতিরিক্ত মেদের সৃষ্টি করে।
বর্তমানে বাজারের বিভিন্ন নামি দামি ব্যান্ড এর ঘি রয়েছে। তবে খাটি ঘি এর বিকল্প কিছু নেই। নিজের স্বাস্থ্য বিবেচনায়, বাজার থেকে ঘি কেনার সময় অবশ্যই যাছাই বাছাই করে, তবেই ঘি কিনবেন। মনে রাখবেন খাটি খাবারে সুস্থ্য জীবন।
Custom TAB


MAECENAS IACULIS
Vestibulum curae torquent diam diam commodo parturient penatibus nunc dui adipiscing convallis bulum parturient suspendisse parturient a.Parturient in parturient scelerisque nibh lectus quam a natoque adipiscing a vestibulum hendrerit et pharetra fames nunc.
ADIPISCING CONVALLIS BULUM
- Vestibulum penatibus nunc dui adipiscing convallis bulum parturient suspendisse.
- Abitur parturient praesent lectus quam a natoque adipiscing a vestibulum hendre.
- Diam parturient dictumst parturient scelerisque nibh lectus.
Scelerisque adipiscing bibendum sem vestibulum et in a a a purus lectus faucibus lobortis tincidunt purus lectus nisl class eros.Condimentum a et ullamcorper dictumst mus et tristique elementum nam inceptos hac parturient scelerisque vestibulum.
